চীনে মহামারী রূপ নিয়েছে করোনোভাইরাস। মরণঘাতী এই ভাইরাসে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৩২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে পড়েছে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও। ফলে বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
তবে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে প্রথমবারের মত গবেষণাগারে করোনাভাইরাস তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন দেশটির বিজ্ঞানীরা। চীনের বাইরে প্রথম কোনো দেশ এ ভাইরাস আবিষ্কার করল। যা করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ভ্যাকসিন আবিষ্কারে এক ‘যুগান্তকারী পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের পথে এটি একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। এ গবেষণা থেকে পাওয়া ফল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণাগারে পাঠানো হবে।
অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে বিশেষজ্ঞ ল্যাবের গবেষকরা বলেছেন, সংক্রামিত রোগীর কাছ থেকে ভাইরাসটির অনুলিপি নিয়ে ভাইরাসটি আবিষ্কার করতে পেরেছেন। গত শুক্রবার তাদের কাছে এ নমুনা পাঠানো হয়েছিল।
ডা. মাইক ক্যাটন বলেছেন, ‘আমরা বহু বছর ধরে এ জাতীয় একটি ঘটনার জন্য পরিকল্পনা করে আসছি এবং সে কারণেই আমরা এতো দ্রুত উত্তর পেতে সক্ষম হয়েছি।’
করোনাভাইরাস নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য, শক্তিশালী জীবাণু অস্ত্র বানাতে গিয়ে ছড়িয়ে পড়ে এটি
মরণঘাতী করোনাভাইরাস নিয়ে এবার সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। শক্তিশালী জীবাণু অস্ত্র তৈরি করতে গিয়ে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের জীবাণু অস্ত্রের বিশেষজ্ঞরা।
তারা বলেছেন, এই ভাইরাসের জন্মদাতা উহানের জৈব রাসায়নিক মারণাস্ত্র তৈরির কারখানা বায়ো-সেফটি লেভেল ৪ ল্যাবোরেটরি।
শোনা যাচ্ছে, অসাবধানতাবশত এই গবেষণাগার থেকেই ছড়িয়েছে ভাইরাসের সংক্রমণ। আসলে জৈব রাসায়নিক অস্ত্রের উপর গবেষণা করতে গিয়েই দুর্ঘটনা ঘটিয়েছেন চীনের বিজ্ঞানীরা।
ইসরায়েলের সেনা গোয়েন্দাদের উদ্ধৃত করে মার্কিন সিসিএন-সহ ইসরায়েলের একাধিক ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনীর ব্যাপক আধুনিকীকরণ, ছাঁটাই প্রক্রিয়া ও প্রযুক্তিগত মানোন্নয়ন করছে চীন। চলছে জীবাণু অস্ত্র ও রাসায়নিক অস্ত্র নিয়েও গবেষণা। এরই অংশ হিসেবে সার্স জাতীয় ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করছে চীনের সামরিক বাহিনীর গবেষণাগার।
ইসরায়েলের দাবি, বিশ্বের সব দেশকে জব্দ করতে, চাপে রাখতে সবচেয়ে শক্তিশালী জীবাণু অস্ত্র বানাচ্ছে চীন। এজন্যই জিনগত অভিযোজন ঘটিয়ে করোনাভাইরাসের মতো অনেক ভাইরাস তৈরি করছেন চীনের সামরিক বাহিনীর গবেষকরা।
ইসরায়েলি সেনা গোয়েন্দা দফতরের প্রাক্তন প্রধান লেফটেন্যান্ট ড্যানি শোহাম জানিয়েছেন, ‘বায়ো-ওয়ারফেয়ার বা জীবাণু যুদ্ধের জন্য তৈরি হচ্ছে চীন। জিনের কারসাজিতে এমন ভাইরাস তৈরি করা হচ্ছে, যা মিসাইল, ড্রোন, বোমা বা সামান্য একটি পেন অথবা ঘড়ির মধ্যে দিয়েই ছড়িয়ে দেওয়া যায় শত্রুর ভূখণ্ডে। সেই ভাইরাসের দাপটে ২৫ দিনের মধ্যেই মৃত্যুমিছিলে উজাড় হয়ে যেতে পারে একটি বড় শহর বা একটি জেলা।’
তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ও ইসরায়েলের গোয়েন্দাদের দাবি ভিত্তিহীন জল্পনা বলে উড়িয়ে দিয়েছে চীন। কিন্তু ভাইরাসের প্রতিষেধক হিসেবে কোনও টিকা, ওষুধ বা ইঞ্জেকশন কাজ না করায় সন্দেহ তীর রয়েছে চীনা গবেষণাগারের উপরেই।
উল্লেখ্য, এরই মধ্যে চীনের উহান প্রদেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে প্রাণ গেছে অন্তত ১৩২ জনের। আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজারের বেশি মানুষ। ভাইরাসটি ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট, থাইল্যান্ড, নেপাল, সিঙ্গাপুরসহ ১৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। সূত্র: সিসিএন
করোনাভাইরাস: উহান থেকে বিদেশিদের সরিয়ে নেওয়া শুরু
করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু চীনের উহান শহর থেকে শত শত বিদেশি নাগরিকে সরিয়ে নেওয়া শুরু হয়েছে।
প্রতিনিয়তই চীনে এই ভাইরাসের সংক্রমণে প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ছে এবং আরও সংক্রমণের খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অস্ট্রেলিয়া পরিকল্পনা করেছে যে, চীন থেকে ফেরত আসা তাদের ৬০০ নাগরিককে মূল ভূখণ্ডে নেওয়ার আগে সতর্কতা হিসেবে দুই সপ্তাহের জন্য ক্রিসমাস আইল্যান্ডে রাখবে। যা মূল ভূখণ্ড থেকে ২ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
জাপান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপও তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়া শুরু করেছে।
প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং ভাইরাসটিকে “ডেভিল বা খুবই খারাপ প্রকৃতির” বলে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে চীন এটাকে পরাজিত করবে।
চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের-এনএইচসি এক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, প্রাদুর্ভাবটি শীর্ষে উঠতে আরো ১০ দিনের মতো সময় লাগতে পারে।
বুধবার এনএইচসি বলেছে, চীনে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২ জনে দাঁড়িয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে যে, হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানের সি ফুড মার্কেটে অবৈধ বন্যপ্রাণী বাণিজ্য থেকে এই ভাইরাসটি ছড়িয়েছে।
এই ভাইরাসের কারণে শ্বাসযন্ত্রের গুরুতর ও তীব্র সংক্রমণ হয় যার কোন নির্দিষ্ট নিরাময় বা প্রতিষেধক নেই।
এরইমধ্যে স্টারবাকস চীনে তাদের অর্ধেকেরও বেশি আউটলেট বন্ধ করেছে, এছাড়া অর্থনৈতিক প্রভাবও মারাত্মক হতে শুরু করেছে।
কাদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে? অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেছেন, তার দেশের নাগরিকদের দুই সপ্তাহের জন্য ক্রিসমাস আইল্যান্ডে রাখা হবে।
এই ঘোষণার পর সমালোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে কারণ এই দ্বীপটি অভিবাসন প্রত্যাশীদের বন্দী শিবির হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এই শিবিরগুলোর বেহাল দশা এবং এখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
বর্তমানে সেখানে চার সদস্যের একটি শ্রীলঙ্কান পরিবার রয়েছে। কিন্তু প্রায় এক হাজার মানুষকে ধারণ করার জন্য এটি তৈরি করা হয়েছিল।
অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের পাশাপাশি নিজেদের ৫৩ জন নাগরিককে ফিরিয়ে আনতে ক্যানবেরার সাথে একযোগে কাজ করবে নিউজিল্যান্ড।
প্রায় ২০০ জন জাপানি নাগরিক উহান থেকে বিমানে করে টোকিওর হানেডা বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।
আরও ৬৫০ জন জাপানি বলেছে যে তারা ফিরে যেতে চান এবং দেশটির সরকার বলেছে যে তারা আরো ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করছে।
জাপানের গণমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, ফিরে আসা নাগরিকদের মধ্যে অনেকে জ্বর এবং কাশিতে ভুগছেন। তবে উপসর্গ দেখা না দিলেও ফিরে আসা সবাইকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে।
বাড়ি ফিরে যাওয়ার আগে তাদেরকে একটি নিয়ন্ত্রিত ওয়ার্ডে রেখে পরীক্ষা করা হবে এবং এগুলোর ফল না আসা পর্যন্ত তাদের বাড়ি থেকে বের না হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে।
বুধবার, যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি কিছু মার্কিন নাগরিকও উহান শহর ছেড়ে গেছে।
সিএনএন’র তথ্য মতে, তাদেরকে কম পক্ষে দুই সপ্তাহ ধরে বিমান বন্দরের হ্যাঙ্গারে তৈরি করা বিশেষ ব্যবস্থায় থাকতে হবে।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দফতরও তাদের প্রায় ২০০ নাগরিককে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করছে যারা ফিরে আসতে চান। কিন্তু কিছু কিছু ব্রিটিশ নাগরিক কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করে অভিযোগ তুলেছেন যে, তাদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।
আলাদাভাবে, দুটি বিমান ইউরোপের নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার কথা রয়েছে, এরমধ্যে প্রথম ফ্লাইটে ২৫০ জন ফরাসি নাগরিক চীন ছাড়বেন।
দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে চারটি ফ্লাইটে তাদের ৭০০ নাগরিককে ফিরিয়ে নেয়া হবে।
কিন্তু তাদেরকে আলাদাভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি, কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, সংক্রমণের শিকার নাগরিকদের সব খরচ সরকার বহন করবে। এ পর্যন্ত, দেশটিতে চার জন আক্রান্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এরইমধ্যে, হংকং চীনের মূল ভূখণ্ডের সাথে আন্তঃসীমান্ত ভ্রমণ বন্ধের পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছে।
উহানের সাথে সাথে পুরো হুবেই প্রদেশই যানবাহন চলাচলের দিক থেকে অচল হয়েছে পড়েছে। সূত্র: বিবিসি
ভয়াবহ রূপ নিয়েছে চীনের করোনাভাইরাস। ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। এরই মধ্যে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চীনে প্রাণ গেছে অন্তত ১৩২ জনের। আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ছয় হাজার মানুষ। তবে করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক। কারণ দেশটিতে অনেক বেশি চীনা নাগরিক ভ্রমণ করেন।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, লস অ্যাঞ্জেলস, নিউ ইয়র্ক এবং লন্ডনও ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে ব্যাংকক।
এ ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলছেন, চীন থেকে ঘাতক করোনাভাইরাসের ঝুঁকি ব্যাংককে সবচেয়ে বেশি। কারণ চীন থেকে সবচেয়ে বেশি মানুষ ব্যাংককে যাওয়া-আসা করে।
ইউনিভার্সিটি অব সাউথাম্পটনের শিক্ষাবিদরা বুধবার ভ্রমণের বিষয়ে একটি তথ্য প্রকাশ করে। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। ওই ভ্রমণ তথ্য অনুযায়ী কোন কোন দেশ করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য ঝুঁকিতে রয়েছে সে বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, লস অ্যাঞ্জেলস এবং নিউ ইয়র্ক এ তালিকায় ২০তম স্থানে রয়েছে। গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে লন্ডন। তালিকায় প্যারিসের অবস্থান ২৭ এবং ফ্রাঙ্কফুট ৩০। ইতোমধ্যে ফ্রান্স এবং জার্মানিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ইতোমধ্যে পাঁচজন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে কারো এ ভাইরাসে আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি।
ব্যাংককের ইউনিভার্সিটি ওয়ার্ল্ডপপ টিম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, থাইল্যান্ড সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে।
ইসরায়েলি সেনা-গোয়েন্দা এবং মাইক্রোবায়োলজিস্টদের মতে রহস্যময় নোভেল করোনাভাইরাসের জন্মদাতা উহানের জৈব রাসায়নিক মারণাস্ত্র তৈরির কারখানা বায়ো-সেফটি লেভেল-৪ (বিএসএল-৪) ল্যাবরেটরি।
১০ বছর ধরে নির্মিত এ কারখানাটি ২০১৮ কার্যক্রম শুরু করে চীন। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, অসাবধানতাবশত এই গবেষণাগার থেকেই ছড়িয়েছে ভাইরাসের সংক্রমণ।
এদিকে প্রশ্ন উঠেছে সত্যিই কি ল্যাবরেটরি থেকে অসতর্কতাবশত ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে, নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্তর্ঘাতের সম্ভাবনা। ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে কি নিজেদের শক্তি জাহির করতে চাইছে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি? সম্প্রতি এক রিপোর্টে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে মার্কিন প্রভাবশালী দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্ট।
তাদের দাবি, সিঙ্গল-স্ট্র্যান্ডেড এই আরএনএ ভাইরাসকে তৈরি করা হয়েছে মারণাস্ত্র হিসেবেই। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের ছোবলে শত শত প্রাণনাশ করা সম্ভব। উহান ইন্সটিটিউট অব ভাইরোলজির বিএসএল-৪ ল্যাবরেটরিতে অতি গোপনে এই জৈব রাসায়নিক মারণাস্ত্র তৈরির কাজ চলছিল দীর্ঘ সময় ধরেই। হয় সেখান থেকেই ভাইরাস কোনোও ভাবে বাইরে চলে গেছে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবেই সংক্রমণ ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) নানাবিধ অপকর্ম বিষয়ক গবেষক মাইলস গুয়ো ভারতীয় দৈনিক জিনিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ভাইরাস যে দুর্ঘটনাক্রমে কারখানা থেকেই ছড়িয়েছে পরিস্থিতি শান্ত হলেই তা স্বীকার করবে সিসিপি। সরকারের সবুজসংকেত পেলেই এ ঘোষণা দেবে দল। দুর্ঘটনার পরপরই গোপনে কারখানা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং কিশান।
২৫ জানুয়ারির ওই সাক্ষাৎকারে গুয়ো আরও বলেন, ‘সংক্রমণ ফেব্রুয়ারিতে চূড়ান্ত আকার ধারণ করবে এবং ফেব্রুয়ারিতেই শেষ হবে- কারখানা ঘুরে এসে নিজের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে সে কথাই বলেছিলেন কিশান।’
জানা গেছে, ইন্সটিটিউট অব ভাইরোলজিতে এই ল্যাবরেটরির জন্যই রয়েছে আলাদা উইং, যার বাইরের পরিবেশের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। তবে সার্স ও ইবোলা প্রাণঘাতী হয়ে ওঠার পরে অভিযোগের আঙুল ওঠে এই গবেষণাগারের দিকেই। বলা হয়, রোগ প্রতিরোধ নয়, বরং প্রাণঘাতী জৈব অস্ত্র বানাতেই মত্ত গবেষকরা। যারই পরিণতি হাজার হাজার মৃত্যু।
চিত্র কপিরাইটগেট্টি ইমেজচিত্রের শিরোনামঅগ্নিকাণ্ডগুলি ইতিমধ্যে ভিক্টোরিয়া এবং এনএসডাব্লু এর কিছু অংশ ধ্বংস করে দিয়েছে
শুক্রবার সন্ধ্যায় অস্ট্রেলিয়ার দুটি গুল্ম দাবানল তথাকথিত "মেগা ব্লেজ" এ মিশে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে।
নিউ সাউথ ওয়েলস এবং ভিক্টোরিয়ার সীমান্তে সংযুক্তিটি প্রত্যাশিত এবং কয়েকদিন ধরেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছিলেন শুক্রবার "পূর্ব রাজ্যগুলিতে একটি কঠিন দিন" হবে তাপ, প্রবল বাতাস এবং শুকনো বজ্রের পূর্বাভাসের মধ্যে।
দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায়, ক্যাঙ্গারু দ্বীপও হঠাৎ হুমকির সম্মুখীন হয়েছিল।
নিউ সাউথ ওয়েলসের (এনএসডাব্লু) পল্লী ফায়ার সার্ভিসের একজন মুখপাত্র বিবিসিকে জানিয়েছেন দু'টি আগুনের সংহতকরণ - উভয়ই নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে - এটি "আসন্ন" ছিল এবং সন্ধ্যা 8 টার দিকে (09:00 GMT) প্রত্যাশিত ছিল।
ডানস রোড এবং ইস্ট ওর্নি ক্রিকের দুটি অগ্নিকান্ডের একটি শক্ত রাতের জন্য দমকলকর্মীরা রয়েছে - এবং বিমান অন্ধকারের পরেও পরিচালনা করতে সক্ষম হবে না।
একাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ এনএসডব্লিউতে 100 টিরও বেশি বুশফায়ার জ্বলছে তবে ভিক্টোরিয়ায় এই বিপদটিও সমান great
বৃহস্পতিবার, জলাশয়যুক্ত হেলিকপ্টারটি সেখানে ফেরত দেওয়ার সময় বেগা ভ্যালি শায়ার অঞ্চলের জলাশয়ে বিধ্বস্ত হয়েছিল। পল্লী, পল্লী ফায়ার সার্ভিস দ্বারা চুক্তিবদ্ধ, বেঁচে গিয়েছিল।
এই সংকট বন্যজীবকেও বিস্তৃত করেছে। গত সপ্তাহে কাঙ্গারু দ্বীপে আগুনের শিখায় বিধ্বস্ত হওয়ার সময় আনুমানিক 25,000 কোয়াল মারা গিয়েছিল।
দুটি নির্দিষ্ট আবহাওয়া ঘটনা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অস্ট্রেলিয়া 2019 সালে রেকর্ডে তার সবচেয়ে উষ্ণতম ও শুষ্কতম বছরটি দেখেছিল, বৃহস্পতিবার আবহাওয়া ব্যুরো জানিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে উচ্চ তাপমাত্রা, বাতাস এবং তিন বছরের খরার দ্বারা উত্সাহিত বিশাল অগ্নিকাণ্ড সেখানে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
অস্ট্রেলিয়ান অগ্নিকাণ্ড সম্পর্কে আপনার কী প্রশ্ন রয়েছে?
কিছু ক্ষেত্রে আপনার প্রশ্ন প্রকাশিত হবে, আপনার নাম, বয়স এবং অবস্থানটি যেমন আপনি সরবরাহ করেছেন তেমন প্রদর্শিত হবে, যদি আপনি অন্যথায় বর্ণনা না করেন। আপনার পরিচিতির বিবরণ কখনই প্রকাশিত হবে না। আপনি শর্তাদি এবং শর্তাবলী পড়েছেন তা নিশ্চিত করুন।
"লিটল ওয়াং" ডাব করা, তাঁর গল্পটি ভাইরালও হয়েছিল, যা তার স্থিতিস্থাপকতায় মুগ্ধ হয়ে মানুষের কাছ থেকে আন্তর্জাতিক অনুদানের দিকে নিয়ে যায় এবং তার দারিদ্র্যে হতবাক হয়েছিল।
চিত্র কপিরাইটপিপলস ডেইলিইমেজ ক্যাপশনআট বছর বয়সী লিটল ওয়াংয়ের ছবি হাজার হাজারবার শেয়ার করা হয়েছিল
সমস্ত চীন জুড়ে দারিদ্র্যের কোনও মানক সংজ্ঞা নেই, কারণ এটি একটি প্রদেশ থেকে প্রদেশে পৃথক।
এক বহুলাংশে উদ্ধৃত জাতীয় মানটি বছরে ২,৩০০ ইউয়ান ($ 331; £ 253) আয় করে income এই মানের অধীনে, 2017 সালে সমগ্র চীন জুড়ে প্রায় 30 মিলিয়ন মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করছিল।
তবে অনেক প্রদেশ তাদের দারিদ্র্যের মানদণ্ডকে উত্থাপন করেছে - জিয়াংসুর ক্ষেত্রে যেমন এটি 6,০০০ ইউয়ান।
নব্বইয়ের দশকে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকে চীন তার দারিদ্র্যের হারকে হুড়োহুড়ি করে দেখছে এবং সরকার ২০২০ সালে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণের প্রত্যাশা করছে।
দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো অনুসারে, 2018 সালে গড় ডিসপোজেবল আয় ছিল ব্যক্তি প্রতি 28,228 ইউয়ান ($ 4,059; £ 3,106)।
যা শহুরে 39,251 ইউয়ান এবং গ্রামীণ পরিবারগুলিতে 14,617 ইউয়ান ভেঙে যায়।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের 2018 সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে , চীন ১৯৯০ সালে মাঝারিভাবে অসম থেকে বিশ্বের সবচেয়ে অসম দেশগুলির হয়ে উঠেছে।