Search This Blog

Friday, May 29, 2020

নতুন ডেটা সক্ষমতা এবং বৈশিষ্ট্যতা দিচ্ছে মাল্টি-ক্লাউড প্লাটফরম

নতুন ডেটা সক্ষমতা এবং বৈশিষ্ট্যতা দিচ্ছে মাল্টি-ক্লাউড প্লাটফরম

নতুন ডেটা সক্ষমতা এবং বৈশিষ্ট্যতা দিচ্ছে মাল্টি-ক্লাউড প্লাটফরমমার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক কম্পিউটার টেকনোলজি কর্পোরেশন ওরাকলের তত্ত্বাবধানে ফরেস্টার কনসাল্টিং পরিচালিত নতুন এক গবেষণায় মাল্টি-হাইব্রিড ক্লাউড প্লাটফরমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উপর জোর দেয়া হয়েছে।
সংকটকালীন সময়ে ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানাতে এবং তা পর্যবেক্ষণে সক্ষম করতে প্রয়োজনীয় অসংখ্য তথ্যকে ক্রমানুসারে সাজিয়ে রাখতে এ প্লাটফরমের গুরুত্বের কথা বলা হয়েছে।
 
“মুভিং দ্য নিডল: ডেটা ম্যানেজমেন্ট ফর দ্য মাল্টি-হাইব্রিড এইজ অব টেকনোলজি” শীর্ষক এ গবেষণায় বলা হয়েছে, ৬৭০ জন সিনিয়র টেকনোলজি ডিসিশন মেকারদের মধ্যে ৮২ শতাংশ মনে করেন, সঠিক ডেটা ব্যবস্থাপনা কৌশলে বিনিয়োগ করলে ব্যবসায় ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। কিন্তু ৭৩ শতাংশ স্বীকার করেন, তাদের পৃথক এবং স্বতন্ত্র ডেটা কৌশল তাদের ব্যবসায়িক অংশীদারদের প্রয়োজনীয় ডেটা সরবরাহে বাধা দিচ্ছে।  
ওরাকল সিস্টেমস, জেএপিএসি (জাপাক) এবং ইএমইএ’এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট চং হেং বলেন, “এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলো ডেটার উৎসকে সমন্বিত করতে এবং ডেটা সুরক্ষা ও পরিচালনায় শীর্ষে থাকার ক্ষেত্রে বলিষ্ঠ অগ্রগতি এনেছে। কিন্তু গবেষনায় আরো দেখা যাচ্ছে, এ বিষয়ে তাদের অতিরিক্ত গুরুত্ব দেয়াটা তাদের হয়তো মাল্টি-হাইব্রিড ক্লাউডের কিছু সুবিধা উপলব্ধি করা থেকে পিছিয়ে রাখছে।
প্রতিষ্ঠানগুলোর ডেটা ব্যবস্থাপনায় অনন্য সক্ষমতা এবং বৈচিত্রতা পাওয়ার ক্ষেত্রে বর্তমানে মাল্টি-হাইব্রিড ক্লাউড প্রয়োজন। এমনকি, জাপান এবং এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ প্রতিষ্ঠানকে ডেটা ব্যবস্থাপনার এই দিকটিতে গুরুত্ব দিতে দেখা গেছে, যা ইউরোপের দুই-তৃতীয়াংশের চেয়েও বেশি। তাদের যত দ্রুত সম্ভব মাল্টি-হাইব্রিড ক্লাউড এনভায়রনমেন্টের সুবিধা বুঝতে হবে, তা না হলে ঝুঁকিতে পড়তে হবে।”
গবেষণায় দেখা গেছে, বিভিন্ন ধরনের আইটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে গিয়ে ক্রমবর্ধমান জটিলতায় ৬৪ শতাংশ অংশগ্রহণকারী মাল্টি-হাইব্রিড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জের সাথে লড়াই করছে। তাই, ৭০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের তাদের আইটি খাতকে সহজ করার ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়াটা খুব বেশি আশ্চর্যজনক নয়।
ওরাকল বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের বিশেষ করে এশিয়া প্যাসিফিক, ইউরোপ এবং মধ্য প্রাচের বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানের ডেটা ব্যবস্থাপনা মূল্যায়ণ করার জন্য ফরেস্টার কনসাল্টিং’কে দায়িত্ব দেয়। ফরেস্টার ডেটা ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং ডেটা স্ট্র্যাটেজির দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ৬৭০ জন প্রযুক্তি এবং ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীর উপর অনলাইন জড়িপ পরিচালনা করে। এছাড়াও তারা এসব অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে ১০ জন সি-লেভেল এক্সিকিউটিভদের ডেটা ব্যবস্থাপনায় তাদের এপ্রোচ, ড্রাইভার এবং বেস্ট প্র্যাকটিসের সূক্ষাতিসূক্ষ বিষয় বের করে আনতে সাক্ষাৎকার নেয়।

রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যা খাওয়া জরুরি

রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যা খাওয়া জরুরি

রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যা খাওয়া জরুরি
রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক থাকলে বিভিন্ন রোগ ও সংক্রমণ থেকে বাঁচা যায়। ভিটামিন সি শরীরের এই ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

যেসব খাবারে পাওয়া যায়
বিভিন্ন ফল ও সবজিতে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। যেমন ফলের মধ্য়ে আছে কিউই, লেবু, কমলা, পেঁপে, পেয়ারা, আঙুর, জাম্বুরা, আমলকী, আমড়া, স্ট্রবেরি। আর সবজির মধ্যে ব্রাসেলস স্প্রাউট, ব্রকোলি, মরিচ এসব। তবে মনে রাখতে হবে ভিটামিন সি তাপ-সংবেদনশীল। তাই রান্নার সময় একটু সতর্ক থাকতে হবে।
উপকারিতা
শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে ভিটামিন সি। সাধারণ সর্দি-কাশিতেও এটি অনেক উপকারী। এছাড়া ত্বক, দাঁত ও চুল ভালো রাখতে সহায়তা করে ভিটামিন সি।
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট
ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, টিউমার, ক্যানসারসহ নানান কঠিন অসুখের জন্য দায়ী ফ্রি-র‌্যাডিক্য়াল, যা ফরমালিন ও কীটনাশকযুক্ত খাবার খাওয়ার কারণে আমাদের শরীরে প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে। এছাড়া দূষিত পরিবেশে বসবাস, অনেক বেশি ফাস্টফুড খাওয়া, মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবন ইত্যাদি কারণেও শরীরে ফ্রি-র‌্যাডিক্য়াল তৈরি হয়। ভিটামিন সি-র মতো অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এসব ফ্রি-র‌্যাডিক্য়ালের ক্ষতিকর প্রভাব প্রশমিত করতে পারে।
কোলাজেন তৈরি
আমাদের শরীরের মাংসপেশী, হাড়, রক্তনালী, পরিপাকতন্ত্র ও ত্বকে কোলাজেন প্রোটিন রয়েছে। এটি কোষের স্বাস্থ্য ও স্থিতিস্থাপকতা ঠিক রাখে। বয়স হলে কোলাজেনের পরিমাণ কমতে থাকে। তাই তখন ত্বক ঝুলে যেতে শুরু করে। ভিটামিন সি এই কোলাজেন তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
লড়াই
সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে শরীরে ভিটামিন সি দরকার। কারণ শরীরের কোনও অংশে সংক্রমণ দেখা দিলে সেখানে রোগ-প্রতিরোধী কোষ পাঠাতে সহায়তা করে ভিটামিন সি।
স্কার্ভি থেকে মুক্তি
ভিটামিন সি-এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হতে পারে। সম্ভাব্য প্রাণঘাতী এই রোগের লক্ষণগুলো হচ্ছে ক্ষত তাড়াতাড়ি না শুকানো, চুল ও দাঁত পড়া, কালশিটে দাগ পড়া ও জয়েন্টে ব্যাথা। স্কার্ভি থেকে বাঁচতে প্রতিদিন ১০ মিলিগ্রাম সমপরিমাণ ভিটামিন সি খাওয়া যথেষ্ট।
প্রতিদিন কতটুকু খাওয়া উচিত?
জার্মানির পরামর্শক সংস্থার হিসেবে একজন পুরুষের দৈনিক ১১০ মিলিগ্রাম ও একজন নারীর ৯৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খাওয়া উচিত। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে প্রতিদিন ৪০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খাওয়ার পরামর্শ দেন। 

মাত্র ৩৭ দিনে ভেন্টিলেটর নির্মাণ করল নাসা

মাত্র ৩৭ দিনে ভেন্টিলেটর নির্মাণ করল নাসা

মাত্র ৩৭ দিনে ভেন্টিলেটর নির্মাণ করল নাসা



কোভিড-১৯ আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য হাইপ্রেশার ভেন্টিলেটর তৈরি করল আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। 
নাসার ‘জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরি’র ডিরেক্টর মাইকেল ওয়াটকিন্স বলেন, ‘আমরা মহাকাশ যান নির্মাণে দক্ষ। আমরা চিকিৎসা সরঞ্জাম তৈরি করি না। তবে উন্নত ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আমাদের দখল ও লাগাতার পরীক্ষা-নিরীক্ষা-সহ যে কোনো যন্ত্রের প্রোটটাইপ নির্মাণে আমাদের দক্ষতা এই কাজে আমাদের মদদ করেছে। এহেন বিপর্যয়ে দেশের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা সামগ্রী নির্মাণের গুরুত্ব আমাদের ইঞ্জিনিয়াররা বুঝতে পেরেছেন। এবং এটাকে নিজের কর্তব্য বলেই মনে করছেন তারা।’            
ইতিমধ্যেই নাসার তৈরি ভেন্টিলেটর কোভিড আক্রান্তদের চিকিৎসায় ব্যবহারও শুরু করে দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। তাতে সাফল্যও মিলছে। 
নাসার প্রযুক্তিতে তৈরি ভেন্টিলেটর সমাদৃত হচ্ছে আমেরিকার চিকিৎসক মহলেও। নিউ ইউর্ক, নিউ জার্সি, ক্যালিফোর্নিয়া-সহ একাধিক শহরের হাসপাতালগুলিতে চাহিদা মতো ভেন্টিলেটর ছিল না বলে বিস্তর অভিযোগ উঠছিল। স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর এমন নিদারুণ চেহারা প্রকাশ্যে আসতেই ভেন্টিলেটর তৈরির প্রকল্প হাতে নেয় নাসার গবেষকেরা। মাত্র ৩৭ দিনের মধ্যেই আধুনিক ভেন্টিলেটরে তৈরি করে ফেলে সংস্থাটি। 
চলতি সপ্তাহে নিউ ইয়র্কের স্কুল অব মেডিসিনে নাসার ভেন্টিলেটর পরীক্ষামূলক ব্যবহার করেন চিকিৎসকেরা। আক্রান্তদের প্রাণ সংশয় ঠেকাতে চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রথাগত ভেন্টিলেটরের সঙ্গে টেক্কা দিচ্ছে নাসার ভেন্টিলেটরগুলি।

বিশেষ ছাড়সহ ভারতের বাজারে iPhone SE (2020)

বিশেষ ছাড়সহ ভারতের বাজারে iPhone SE (2020)


বিশেষ ছাড়সহ ভারতের বাজারে iPhone SE (2020)!সম্প্রতি ভারতে লঞ্চ হয়েছে iPhone SE (2020)। এই ফোনের ডিজাইন অনেকটা iPhone 8-এর মতো। আসুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এই ফোনের স্পেসিফিকেশন আর দাম...
iPhone SE (2020)-এ রয়েছে এইচডি আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে। এই ডিসপ্লেতে সর্বোচ্চ ৬২৫ nits ব্রাইটনেস পাওয়া যাবে। iPhone 11, iPhone 11 Pro বা iPhone 11 Pro Max-এর মতো এই ফোনের ভিতরেও রয়েছে A13 বায়োনিক চিপ।
এরোস্পেস গ্রেড অ্যালুমিনিয়াম ও টেকশই গ্লাস দিয়ে এই ফোন তৈরি হয়েছে। এই ফোন IP67 ওয়েটার আর গ্লাস রেসিস্ট্যান্স। সংস্থার দাবি, ১ মিটার জলের নিচে ৩০ মিনিট পর্যন্ত রাখলেও সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকবে এই ফোন।
iPhone SE (2020)-এ থাকছে ১২ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা। এই ক্যামেরায় রয়েছে অপটিকাল ইমেজ স্টেবিলাইজেশনের সুবিধা। সেলফি বা ভিডিও কলের জন্য এই ফোনে রয়েছে ৭ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।
  
৬৪ জিবি ইন্টারন্যাল স্টোরেজের iPhone SE (2020)-র দাম ৪২,৫০০ টাকা। তবে HDFC ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের বিশেষ ছাড় দিচ্ছে Apple। HDFC ব্যাঙ্কের কার্ড থেকে কিনলে iPhone SE (2020)-র দাম পড়বে ৩৮,৯০০ রুপি। অর্থাৎ, HDFC ব্যাঙ্কের গ্রাহকরা সরাসরি ৩৬০০ রুপির বিশেষ ছাড় পেয়ে যাবেন।

গ্রেফতার করলেও কারখানা খোলা রাখব: টেসলা প্রধান

গ্রেফতার করলেও কারখানা খোলা রাখব: টেসলা প্রধান


গ্রেফতার করলেও কারখানা খোলা রাখব: টেসলা প্রধান
চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বরে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। এরপর বিশ্বের ২১২টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের। 
এমন পরিস্থিতির মাঝেই স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করে ক্যালিফোর্নিয়ার আলামেডা কাউন্টিতে অবস্থিত ফ্রিমন্ট কারখানা খুলে দিয়েছেন টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির মালিক বলছেন, কারখানায় পুলিশ গেলে তিনি নিজে গ্রেফতার হবেন। 
মাস্ক গত মাস থেকে লকডাউনের বিরুদ্ধে সোচ্চার। এর মধ্যে গত শনিবার আলামেডা কাউন্টির বিরুদ্ধে মামলা করে দেন। অভিযোগে কাউন্টির কর্মকাণ্ডকে তিনি ‘ক্ষমতা-দখলের’ সঙ্গে তুলনা করেন। পাশাপাশি হুমকি দেন, খুলতে না দিলে কারখানা নেভাডা অথবা টেক্সাসে সরিয়ে নেবেন।
টেসলা প্রধান বৃহস্পতিবার ক্যালিফোর্নিয়া গভর্নরের কাছে কারখানা খোলার অনুমতি চান। রবিবার তিনি জানিয়ে দেন, কারখানায় শ্রমিক যাচ্ছে।
মাস্ক সোমবার টুইটে লিখেছেন, ‘শ্রমিকদের সঙ্গে আমি কাজে নামব। কেউ গ্রেফতার হলে সেটা হব শুধুমাত্র আমি।’

চীন থেকে ভারতে ব্যবসা স্থানান্তরিত করার পরিকল্পনায় অ্যাপেল

চীন থেকে ভারতে ব্যবসা স্থানান্তরিত করার পরিকল্পনায় অ্যাপেল


চীন থেকে ভারতে ব্যবসা স্থানান্তরিত করার পরিকল্পনায় অ্যাপেল
করোনা সঙ্কটে বিশ্ব জুড়ে ধুঁকছে ব্যবসা বাণিজ্য। এই পরিস্থিতিতে আবার চীনের উপর থেকে নির্ভরশীলতা কমাতে চাইছে বহু সংস্থা। চীনের পরিবর্তে ভারতকে উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে বেছে নিতে চাইছে তারা। সেই তালিকায় এবার নতুন সংযোজন মার্কিন তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা অ্যাপল। চীন থেকে উৎপাদন ব্যবসার ২০ শতাংশ ভারতে সরিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে তারা।
জানা গেছে, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী পাঁচ বছরে ভারতে ৪ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে পারে অ্যাপল। উইনস্ট্রন এবং ফক্সকন, এই দুই সংস্থার মাধ্যমে ভারতে স্মার্টফোন তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। তা বাস্তবায়িত হলে অ্যাপলই ভারতের বৃহত্তম রফতানিকারক সংস্থায় পরিণত হবে।
এদিকে, চীন থেকে যারা সরে আসতে চায় এমন সংস্থাগুলিকে জায়গা করে দিতে ইতিমধ্যেই জমি চিহ্নিতকরণ প্রক্রিয়া শুরু করে গিয়েছে ভারত। অ্যাপলের মতো সংস্থাকে কাছে টানতে ভারতেরও প্রস্তুতিতে কোনও কমতি নেই। এ নিয়ে গত বছরের শেষ দিকেই অ্যাপল, স্যামসাং এবং দেশীয় ফোন উৎপাদনকারী সংস্থা লাভার কর্মকর্তাদের সঙ্গে একদফা বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
ওই বৈঠকে মোদি প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ (পিএলআই) প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন। তার আওতায় বেশ কিছু শর্তও রাখা হয়। বলা হয়, এই প্রকল্পের আওতায় যে সংস্থা যত বেশি সামগ্রী উৎপাদন করবে, তাদের তত বেশি সুবিধা দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে প্রতিটি সংস্থাকে ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে কমপক্ষে এক কোটি ডলারের সামগ্রী তৈরি করতে হবে বলেও জানানো হয়।
তবে পিএলআই'র আওতায় বেশ কিছু শর্ত নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে মতান্তর দেখা দেয়। মনে করা হচ্ছে, সে সবের নিষ্পত্তি হয়ে গেলেই চীন থেকে অ্যাপল ভারতে উৎপাদন কেন্দ্র সরিয়ে আনতে পারে। তবে এতে বাদ সাধতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
অ্যাপল ভারতে উৎপাদন কেন্দ্র সরিয়ে নিয়ে যেতে ইচ্ছুক জানতে পেরে, তা নিয়েও সম্প্রতি সরব হন ট্রাম্প। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, উৎপাদন কেন্দ্র সরাতে হলে তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই সরিয়ে আনুক অ্যাপল। অন্যত্র গেলে জরিমানার মুখে পড়তে হবে তাদের। মার্কিন পণ্যের উপর চড়া শুল্ক নিয়ে আগেই ভারতকে বিঁধেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এক ভিডিও কলেই ৩৭০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা উবারের

এক ভিডিও কলেই ৩৭০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা উবারের


এক ভিডিও কলেই ৩৭০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা উবারের
এক ভিডিও কলের মাধ্যমেই প্রায় সাড়ে ৩৭০০ কর্মী ছাঁটাই করায় তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছে অ্যাপ-ক্যাব পরিসেবা প্রদানকারী সংস্থা উবার। কোম্পানিটির কর্মীদের ছাঁটাই করার কথা ঘোষণা করেন উবারের গ্রাহক পরিসেবা বিভাগের প্রধান রাফিন শ্যাভলো। প্রায় তিন মিনিটের একটি ভিডিও কলের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৪ শতাংশ কর্মীকে সরিয়ে দেওয়ার কথা জানান তিনি।
করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে কোম্পানি যে আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতেই উবারের কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত। ভিডিও কলটিতে শ্যাভলো বলেন, আজই উবারের সঙ্গে আপনাদের শেষ দিন। ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হবে বলে নিশ্চিত করেন শ্যাভলো।
কোনো ধরনের নোটিস ছাড়াই একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও কলের মাধ্যমে এভাবে কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনায় তোপের মুখে পড়েছে উবার। প্রতিষ্ঠানটির সাবেক কর্মীরাও এর জন্য সমালোচনা করছেন।

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য এলো ফেসবুক শপস

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য এলো ফেসবুক শপস


ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য এলো ফেসবুক শপস
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বিশ্বব্যাপী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ব্যবসা প্রসারের জন্য ‘ফেসবুক শপস’ নামে নতুন একটি ফিচার চালু করেছে। ফেসবুকের মালিকানাধীন ইন্সটাগ্রামেও সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অনলাইন শপ চালু করে ব্যবসা করতে পারবেন উদ্যোক্তারা।
ফেসবুকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জুকারবার্গ বুধবার নিজ আইডি থেকে এক পোস্টের মাধ্যমে ফেসবুক শপের ঘোষণা দেন। ফেসবুক শপ ইতোমধ্যে চালু করা হয়েছে বলে জানালেও কোন কোন দেশ বা অঞ্চলে এখন পর্যন্ত এটি কার্যকর করা হয়েছে সে বিষয়ে কিছু বলেননি মার্ক।
মার্ক জুকারবার্গ বলছেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা সম্ভব হচ্ছে না। একইসঙ্গে যে অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে এতে অনেকেই চাকরি হারাচ্ছেন। এমন প্রেক্ষাপটে ব্যবসায়ীরা অনলাইন শপ এর প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন। 
ফেসবুক শপ এর ধারণা দিয়ে মার্ক জুকারবার্গ জানান, ফেসবুক শপ চালু করা খুবই সহজ এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা যাবে এটি। ফেসবুক শপ চালুর সঙ্গে সঙ্গে এটি ফেসবুক এবং ইন্সটাগ্রামে চালু হবে। আর দ্রুতই এই সুবিধা আসতে যাচ্ছে মেসেঞ্জার এবং হোয়াটস অ্যাপেও।
ক্ষুদ্র এবং স্থানীয় উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ীদের ফেসবুক শপের সর্বোচ্চ সুবিধা দিতে শপিফাই, বিগ কমার্স, উ-কমার্স, ক্যাফে ২৪, ফেডনমিক্স এর মতো প্ল্যাটফর্মের সঙ্গেও অংশীদারিত্বে ফেসবুক কাজ করছে বলে জানান মার্ক।
অদূর ভবিষ্যতে ফেসবুক শপসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং অগমেন্টেট রিয়েলিটি (এআর) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এতে ফেসবুক ব্যবহারকারীর পছন্দ অনুযায়ী বিভিন্ন শপসের পণ্য সম্ভাব্য গ্রাহকদের দেখানো হবে। অগমেন্টেট রিয়েলেটি এর মাধ্যমে ক্রেতারা অনলাইনেই বাস্তব কেনাকাটার মতো অভিজ্ঞতা পাবেন। 
জুকারবার্গ বলছেন, ফেসবুকের এসব টুলস ব্যবহার করে ঘরে লিভিং রুমে বসেই পুরোদস্তুর একটি সুপার শপ চালাতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। 
একই সাথে গ্রাহকদের রিয়েল টাইম শপিং করার অভিজ্ঞতা দিতে চালু করা হবে লাইভ ফিচারস।

এবার রহস্যময় প্রযুক্তির বিস্ময়কর চশমা আনছে অ্যাপল

এবার রহস্যময় প্রযুক্তির বিস্ময়কর চশমা আনছে অ্যাপল

এবার রহস্যময় প্রযুক্তির বিস্ময়কর চশমা আনছে অ্যাপল
বিজ্ঞানের বিস্ময় মানুষকে প্রতিনিয়তই ভাবাচ্ছে। অবাক করা অনেক প্রযুক্তিই এখন মানুষের ঘরে ঘরে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক কিছুই প্রযুক্তির ছোঁয়ায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বৈশ্বিক স্মার্ট ঘড়ির বাজারে একচ্ছত্র আধিপত্য ধরে রেখেছে প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল। এবার মার্কিন এই প্রতিষ্ঠানটি ঘড়ির পর গুগল গ্লাসের মতো স্মার্ট চশমা আনতে যাচ্ছে বিশ্ব বাজারে।
বলতে গেলে চশমার আদলে স্মার্টফোন ও কম্পিউটারের চেয়েও অ্যাডভান্স অনেক বিস্ময় ও রহস্য যুক্ত থাকবে সেই চশমায়। অনেকদিনের গবেষণা অনুযায়ী এ বছরের শেষে বা ২০২১ এর শুরুতে বা ২০২২ সালে রিলিজ হতে পারে এই সুপার ডিজিটাল ডিভাইসটি। 
ডিভাইসটি বাজারে আসার আগেই এটি নিয়ে নানা রকম মুখোরোচক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। অনেকেই অ্যাপলের চশমা নিয়ে বিভিন্ন তথ্য জানাচ্ছে, বলা হচ্ছে এগুলো ফাঁস হয়েছে। দাবি করা হচ্ছে বিভিন্ন রকম ফিচারের কথা, যা যুক্ত থাকবে অ্যাপলের ঐ স্মার্ট চশমায়। ‘ফ্রন্ট পেজ টেক’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে এর ডিজাইন, রহস্যময় অনেক ফিচার, নামকরণ, মূল্য ও বাজারের আসার তারিখ নিয়ে কিছু এক্সক্লুসিভ তথ্য ফাঁস করা হয়েছে।
ওই ইউটিউবারের দেওয়া তথ্য ও বিভিন্ন পোর্টালের প্রতিবেদন বলছে, প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের চশমায় iPad Pro এর মতো AR সেন্সর থাকবে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জন্য ও প্রজেক্টর থাকবে চশমার পিছনে কন্টেন্ট দেখার জন্য। ডাটা প্রসেস হবে আইফোনে, ওয়ারলেস চার্জিং ও Starboard UI-ও থাকবে।
এও বলা হচ্ছে, এই চশমায় ক্যামেরা, মাইক্রোফোনস, হেডসেটস এমনকী তুলনামূলক অনেক অ্যাডভান্স শক্তিশালী সেন্সরও থাকবে। আইফোনের সাথে কানেক্টেড থেকে অ্যাপলের এই ডিভাইস তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। যাতে গুগল গ্লাসের আদলে ইন্টারনেট ব্রাউজিং, অডিও-ভিডিও কলিং, ছবি তোলা, ভিডিও করা, ম্যাপ দেখা, ফেস ও লোকেশন রিকগনাইজ করাসহ অনেক সুবিধা থাকবে। যার মূল্য শুরু হতে পারে ৪৯৯ ইউএস ডলার থেকে। আরও বিস্তারিত দেখুন এই ভিডিওতে
উল্লেখ্য, প্রযুক্তির জগতে সবচেয়ে রহস্যময় পণ্য হিসেবে আলোচনায় থাকা গুগল গ্লাসকেও পেছনে ফেলে দেবে অ্যাপল স্মার্ট গ্লাস। যা আগামী দিনের স্মার্টফোনের ধারণাকেই বদলে দিবে। যদিও ২০১৩ সালে প্রথম এই ধরনের স্মার্ট গ্লাস এনে সমালোচনার মুখে পড়ে গুগল। সেই গ্লাসের সাহায্যে অনুমতি ছাড়া এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে যথেষ্ট জ্ঞান না থাকায় ছবি তোলা বা রেকর্ডিং করার অভিযোগ ওঠে। তাতে টনক নড়ে গুগল কর্তৃপক্ষেরও। পরে তা বিক্রি বন্ধ করে দেয় গুগল কর্তৃপক্ষ। এবং কিছু সংস্কার নিয়ে আসা হয় গুগল চশমায়। গুগলের সেই চশমার সাহায্যে ছবি তোলা, ভিডিওচিত্র ধারণ, অডিও ধারণ করার জন্য রয়েছে বিশেষ প্রযুক্তি। ইন্টারনেট ব্রাউজ করা ও মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করা, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটসহ নানা অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার। এবং কণ্ঠস্বর ও চেহারা শনাক্তকরণ প্রযুক্তিও রয়েছে এতে

দুশ্চিন্তায় বিজ্ঞানীরা, বন্ধ হয়ে যেতে পারে ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট পরিষেবা

দুশ্চিন্তায় বিজ্ঞানীরা, বন্ধ হয়ে যেতে পারে ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট পরিষেবা

দুশ্চিন্তায় বিজ্ঞানীরা, বন্ধ হয়ে যেতে পারে ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট পরিষেবা!

একের পর এক বিপর্যয় দেখছে গোটা বিশ্ব। ২০২০ শুরু না হতেই করোনার প্রকোপ। যা কিনা গোটা বিশ্বকে প্রায় স্তব্ধ করে দিয়েছে। প্রথম বিশ্বের দেশগুলো থেকে তৃতীয় বিশ্বের দেশ, বাদ পড়েনি কেউ-ই! মৃত্যু মিছিল সবর্ত্র। করোনার মাঝেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ও ওড়িশায় ধেয়ে এল আম্ফান ঝড়। একেবারে তছনছ করে দিল পশ্চিমবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাকে। আম্ফানের তাণ্ডব থেকে এখনও নিজেদের কাটিয়ে উঠতে পারেনি সেখানকার মানুষ।
ফের যেন বিশ্বের কপালে চিন্তার ভাঁজ। না এবার কোনও রোগ বা ঘূর্ণিঝড় নয়। বরং তার থেকেও যেন আরও বেশি ভয়ঙ্কর খবর শোনালো ইউরোপিয়ান স্পেশ এজেন্সি ও তাদের তোলা কিছু স্যাটেলাইট ছবি। সেই ছবি ও তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, দুর্বল হয়ে আসছে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র। যার ফল কিনা ভয়াবহ ।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র এমন এক ধরনের চৌম্বক ক্ষেত্র যা পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ থেকে শুরু করে মহাশূন্য পর্যন্ত বিস্তৃত। ভূপৃষ্ঠে এর আয়তন ২৫ থেকে ৬৫ মাইক্রোটেসলা। এই শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্রের কারণেই মহাবিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি ধরনের মহাজাগতিক রশ্মি থেকে রক্ষা পাচ্ছে আমাদের এই পৃথিবী। পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র যদি কোনওদিন শূন্য হয়ে যায় তাহলে এ গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব টিকে থাকাটাই কঠিন হবে।
বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের চৌম্বক ক্ষেত্র ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে পড়ছে। যা কিনা বেশ দুশ্চিন্তার। তা এই চৌম্বক ক্ষেত্র দুর্বল হলে কী হতে পারে? গবেষকদের ধারণা ভূচৌম্বক ক্ষেত্র দুর্বল হয়ে যাওয়া পৃথিবীর মেরুর পরিবর্তনের লক্ষণ দেখা দিতে পারে। গোলমাল হতে পারে ম্যাগনেটিক নর্থ ও ম্যাগনেটিক সাউথের। আজ থেকে ৭ লাখ ৮০ হাজার বছর আগেও একইভাবে একবার পৃথিবীর মেরু পরিবর্তন ঘটেছিল।
বিজ্ঞানীদের কথায়, প্রাথমিকভাবে মোবাইল, ইন্টারনেট, স্যাটেলাইট কাজ করা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। স্তব্ধ হয়ে যেতে পারে মানবসভ্যতা। তবে আশার আলো একটাই, এই ঘটনা ঘটতে লাগবে বহু বছর । একদিনে হুট করে এটা হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই নেই।

Wednesday, January 29, 2020

অস্ট্রেলিয়ার গবেষণাগারে তৈরি হলো করোনাভাইরাস

অস্ট্রেলিয়ার গবেষণাগারে তৈরি হলো করোনাভাইরাস


অস্ট্রেলিয়ার গবেষণাগারে তৈরি হলো করোনাভাইরাস
ফাইল ছবি

চীনে মহামারী রূপ নিয়েছে করোনোভাইরাস। মরণঘাতী এই ভাইরাসে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৩২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে পড়েছে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও। ফলে বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
তবে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে প্রথমবারের মত গবেষণাগারে করোনাভাইরাস তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন দেশটির বিজ্ঞানীরা। চীনের বাইরে প্রথম কোনো দেশ এ ভাইরাস আবিষ্কার করল। যা করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ভ্যাকসিন আবিষ্কারে এক ‘যুগান্তকারী পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের পথে এটি একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। এ গবেষণা থেকে পাওয়া ফল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণাগারে পাঠানো হবে।
অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে বিশেষজ্ঞ ল্যাবের গবেষকরা বলেছেন, সংক্রামিত রোগীর কাছ থেকে ভাইরাসটির অনুলিপি নিয়ে ভাইরাসটি আবিষ্কার করতে পেরেছেন। গত শুক্রবার তাদের কাছে এ নমুনা পাঠানো হয়েছিল।
ডা. মাইক ক্যাটন বলেছেন, ‘আমরা বহু বছর ধরে এ জাতীয় একটি ঘটনার জন্য পরিকল্পনা করে আসছি এবং সে কারণেই আমরা এতো দ্রুত উত্তর পেতে সক্ষম হয়েছি।’


করোনাভাইরাস নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য, শক্তিশালী জীবাণু অস্ত্র বানাতে গিয়ে ছড়িয়ে পড়ে এটি

করোনাভাইরাস নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য, শক্তিশালী জীবাণু অস্ত্র বানাতে গিয়ে ছড়িয়ে পড়ে এটি

করোনাভাইরাস নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য, শক্তিশালী জীবাণু অস্ত্র বানাতে গিয়ে ছড়িয়ে পড়ে এটি!

মরণঘাতী করোনাভাইরাস নিয়ে এবার সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। শক্তিশালী জীবাণু অস্ত্র তৈরি করতে গিয়ে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের জীবাণু অস্ত্রের বিশেষজ্ঞরা।
তারা বলেছেন, এই ভাইরাসের জন্মদাতা উহানের জৈব রাসায়নিক মারণাস্ত্র তৈরির কারখানা বায়ো-সেফটি লেভেল ৪ ল্যাবোরেটরি।
শোনা যাচ্ছে, অসাবধানতাবশত এই গবেষণাগার থেকেই ছড়িয়েছে ভাইরাসের সংক্রমণ। আসলে জৈব রাসায়নিক অস্ত্রের উপর গবেষণা করতে গিয়েই দুর্ঘটনা ঘটিয়েছেন চীনের বিজ্ঞানীরা। 
ইসরায়েলের সেনা গোয়েন্দাদের উদ্ধৃত করে মার্কিন সিসিএন-সহ ইসরায়েলের একাধিক ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনীর ব‌্যাপক আধুনিকীকরণ, ছাঁটাই প্রক্রিয়া ও প্রযুক্তিগত মানোন্নয়ন করছে চীন। চলছে জীবাণু অস্ত্র ও রাসায়নিক অস্ত্র নিয়েও গবেষণা। এরই অংশ হিসেবে সার্স জাতীয় ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করছে চীনের সামরিক বাহিনীর গবেষণাগার।
ইসরায়েলের দাবি, বিশ্বের সব দেশকে জব্দ করতে, চাপে রাখতে সবচেয়ে শক্তিশালী জীবাণু অস্ত্র বানাচ্ছে চীন। এজন‌্যই জিনগত অভিযোজন ঘটিয়ে করোনাভাইরাসের মতো অনেক ভাইরাস তৈরি করছেন চীনের সামরিক বাহিনীর গবেষকরা।
ইসরায়েলি সেনা গোয়েন্দা দফতরের প্রাক্তন প্রধান লেফটেন্যান্ট ড্যানি শোহাম জানিয়েছেন, ‘বায়ো-ওয়ারফেয়ার বা জীবাণু যুদ্ধের জন্য তৈরি হচ্ছে চীন। জিনের কারসাজিতে এমন ভাইরাস তৈরি করা হচ্ছে, যা মিসাইল, ড্রোন, বোমা বা সামান‌্য একটি পেন অথবা ঘড়ির মধ্যে দিয়েই ছড়িয়ে দেওয়া যায় শত্রুর ভূখণ্ডে। সেই ভাইরাসের দাপটে ২৫ দিনের মধ্যেই মৃত্যুমিছিলে উজাড় হয়ে যেতে পারে একটি বড় শহর বা একটি জেলা।’
তবে মার্কিন সংবাদমাধ‌্যম ও ইসরায়েলের গোয়েন্দাদের দাবি ভিত্তিহীন জল্পনা বলে উড়িয়ে দিয়েছে চীন। কিন্তু ভাইরাসের প্রতিষেধক হিসেবে কোনও টিকা, ওষুধ বা ইঞ্জেকশন কাজ না করায় সন্দেহ তীর রয়েছে চীনা গবেষণাগারের উপরেই। 
উল্লেখ্য, এরই মধ্যে চীনের উহান প্রদেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে প্রাণ গেছে অন্তত ১৩২ জনের। আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজারের বেশি মানুষ। ভাইরাসটি ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট, থাইল্যান্ড, নেপাল, সিঙ্গাপুরসহ ১৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। সূত্র: সিসিএন

এবার করোনাভাইরাসের হানা আরব আমিরাতে

এবার করোনাভাইরাসের হানা আরব আমিরাতে

এবার করোনাভাইরাসের হানা আরব আমিরাতে

বিশ্বজুড়ে এখন আতঙ্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনাভাইরাস। চীন থেকে দ্রুতগতিতে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।
এরই মধ্যে অন্তত ১৮টি দেশে মরণঘাতী এই ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়েছে। ১৯তম দেশ হিসেবে এবার সেই তালিকায় নাম লেখাল মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। 
দেশটিতে চীনের উহান থেকে ফেরা একটি পরিবারের সদস্যদের শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া গেছে।
বুধবার আমিরাতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্সের।
মরণঘাতী এই ভাইরাসে চীনে এখন পর্যন্ত ১৩২ জনের প্রাণহানি হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে ছয় হাজারের বেশি মানুষ।

করোনাভাইরাস: উহান থেকে বিদেশিদের সরিয়ে নেওয়া শুরু

করোনাভাইরাস: উহান থেকে বিদেশিদের সরিয়ে নেওয়া শুরু


করোনাভাইরাস: উহান থেকে বিদেশিদের সরিয়ে নেওয়া শুরু

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু চীনের উহান শহর থেকে শত শত বিদেশি নাগরিকে সরিয়ে নেওয়া শুরু হয়েছে।
প্রতিনিয়তই চীনে এই ভাইরাসের সংক্রমণে প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ছে এবং আরও সংক্রমণের খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অস্ট্রেলিয়া পরিকল্পনা করেছে যে, চীন থেকে ফেরত আসা তাদের ৬০০ নাগরিককে মূল ভূখণ্ডে নেওয়ার আগে সতর্কতা হিসেবে দুই সপ্তাহের জন্য ক্রিসমাস আইল্যান্ডে রাখবে। যা মূল ভূখণ্ড থেকে ২ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
জাপান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপও তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়া শুরু করেছে।
প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং ভাইরাসটিকে “ডেভিল বা খুবই খারাপ প্রকৃতির” বলে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে চীন এটাকে পরাজিত করবে।
চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের-এনএইচসি এক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, প্রাদুর্ভাবটি শীর্ষে উঠতে আরো ১০ দিনের মতো সময় লাগতে পারে।
বুধবার এনএইচসি বলেছে, চীনে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২ জনে দাঁড়িয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে যে, হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানের সি ফুড মার্কেটে অবৈধ বন্যপ্রাণী বাণিজ্য থেকে এই ভাইরাসটি ছড়িয়েছে।
এই ভাইরাসের কারণে শ্বাসযন্ত্রের গুরুতর ও তীব্র সংক্রমণ হয় যার কোন নির্দিষ্ট নিরাময় বা প্রতিষেধক নেই।
এরইমধ্যে স্টারবাকস চীনে তাদের অর্ধেকেরও বেশি আউটলেট বন্ধ করেছে, এছাড়া অর্থনৈতিক প্রভাবও মারাত্মক হতে শুরু করেছে।
কাদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে?
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেছেন, তার দেশের নাগরিকদের দুই সপ্তাহের জন্য ক্রিসমাস আইল্যান্ডে রাখা হবে।
এই ঘোষণার পর সমালোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে কারণ এই দ্বীপটি অভিবাসন প্রত্যাশীদের বন্দী শিবির হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এই শিবিরগুলোর বেহাল দশা এবং এখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
বর্তমানে সেখানে চার সদস্যের একটি শ্রীলঙ্কান পরিবার রয়েছে। কিন্তু প্রায় এক হাজার মানুষকে ধারণ করার জন্য এটি তৈরি করা হয়েছিল।
অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের পাশাপাশি নিজেদের ৫৩ জন নাগরিককে ফিরিয়ে আনতে ক্যানবেরার সাথে একযোগে কাজ করবে নিউজিল্যান্ড।
প্রায় ২০০ জন জাপানি নাগরিক উহান থেকে বিমানে করে টোকিওর হানেডা বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।
আরও ৬৫০ জন জাপানি বলেছে যে তারা ফিরে যেতে চান এবং দেশটির সরকার বলেছে যে তারা আরো ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করছে।
জাপানের গণমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, ফিরে আসা নাগরিকদের মধ্যে অনেকে জ্বর এবং কাশিতে ভুগছেন। তবে উপসর্গ দেখা না দিলেও ফিরে আসা সবাইকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে।
বাড়ি ফিরে যাওয়ার আগে তাদেরকে একটি নিয়ন্ত্রিত ওয়ার্ডে রেখে পরীক্ষা করা হবে এবং এগুলোর ফল না আসা পর্যন্ত তাদের বাড়ি থেকে বের না হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে।
বুধবার, যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি কিছু মার্কিন নাগরিকও উহান শহর ছেড়ে গেছে।
সিএনএন’র তথ্য মতে, তাদেরকে কম পক্ষে দুই সপ্তাহ ধরে বিমান বন্দরের হ্যাঙ্গারে তৈরি করা বিশেষ ব্যবস্থায় থাকতে হবে।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দফতরও তাদের প্রায় ২০০ নাগরিককে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করছে যারা ফিরে আসতে চান। কিন্তু কিছু কিছু ব্রিটিশ নাগরিক কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করে অভিযোগ তুলেছেন যে, তাদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।
আলাদাভাবে, দুটি বিমান ইউরোপের নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার কথা রয়েছে, এরমধ্যে প্রথম ফ্লাইটে ২৫০ জন ফরাসি নাগরিক চীন ছাড়বেন।
দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে চারটি ফ্লাইটে তাদের ৭০০ নাগরিককে ফিরিয়ে নেয়া হবে।
কিন্তু তাদেরকে আলাদাভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি, কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, সংক্রমণের শিকার নাগরিকদের সব খরচ সরকার বহন করবে। এ পর্যন্ত, দেশটিতে চার জন আক্রান্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এরইমধ্যে, হংকং চীনের মূল ভূখণ্ডের সাথে আন্তঃসীমান্ত ভ্রমণ বন্ধের পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছে।
উহানের সাথে সাথে পুরো হুবেই প্রদেশই যানবাহন চলাচলের দিক থেকে অচল হয়েছে পড়েছে। সূত্র: বিবিসি

বেপরোয়া করোনাভাইরাস: সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ব্যাংকক

বেপরোয়া করোনাভাইরাস: সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ব্যাংকক


বেপরোয়া করোনাভাইরাস: সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ব্যাংকক

ভয়াবহ রূপ নিয়েছে চীনের করোনাভাইরাস। ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। এরই মধ্যে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চীনে প্রাণ গেছে অন্তত ১৩২ জনের। আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ছয় হাজার মানুষ। তবে করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক। কারণ দেশটিতে অনেক বেশি চীনা নাগরিক ভ্রমণ করেন। 
বিজ্ঞানীরা বলছেন, লস অ্যাঞ্জেলস, নিউ ইয়র্ক এবং লন্ডনও ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে ব্যাংকক।
এ ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলছেন, চীন থেকে ঘাতক করোনাভাইরাসের ঝুঁকি ব্যাংককে সবচেয়ে বেশি। কারণ চীন থেকে সবচেয়ে বেশি মানুষ ব্যাংককে যাওয়া-আসা করে।
ইউনিভার্সিটি অব সাউথাম্পটনের শিক্ষাবিদরা বুধবার ভ্রমণের বিষয়ে একটি তথ্য প্রকাশ করে। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। ওই ভ্রমণ তথ্য অনুযায়ী কোন কোন দেশ করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য ঝুঁকিতে রয়েছে সে বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, লস অ্যাঞ্জেলস এবং নিউ ইয়র্ক এ তালিকায় ২০তম স্থানে রয়েছে। গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে লন্ডন। তালিকায় প্যারিসের অবস্থান ২৭ এবং ফ্রাঙ্কফুট ৩০। ইতোমধ্যে ফ্রান্স এবং জার্মানিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ইতোমধ্যে পাঁচজন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে কারো এ ভাইরাসে আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি।
ব্যাংককের ইউনিভার্সিটি ওয়ার্ল্ডপপ টিম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, থাইল্যান্ড সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে। 

উহানের রাসায়নিক অস্ত্রের কারখানা থেকে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস

উহানের রাসায়নিক অস্ত্রের কারখানা থেকে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস

1

উহানের রাসায়নিক অস্ত্রের কারখানা থেকে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস!
ইসরায়েলি সেনা-গোয়েন্দা এবং মাইক্রোবায়োলজিস্টদের মতে রহস্যময় নোভেল করোনাভাইরাসের জন্মদাতা উহানের জৈব রাসায়নিক মারণাস্ত্র তৈরির কারখানা বায়ো-সেফটি লেভেল-৪ (বিএসএল-৪) ল্যাবরেটরি।
১০ বছর ধরে নির্মিত এ কারখানাটি ২০১৮ কার্যক্রম শুরু করে চীন। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, অসাবধানতাবশত এই গবেষণাগার থেকেই ছড়িয়েছে ভাইরাসের সংক্রমণ।
এদিকে প্রশ্ন উঠেছে সত্যিই কি ল্যাবরেটরি থেকে অসতর্কতাবশত ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে, নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্তর্ঘাতের সম্ভাবনা। ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে কি নিজেদের শক্তি জাহির করতে চাইছে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি? সম্প্রতি এক রিপোর্টে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে মার্কিন প্রভাবশালী দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্ট। 
তাদের দাবি, সিঙ্গল-স্ট্র্যান্ডেড এই আরএনএ ভাইরাসকে তৈরি করা হয়েছে মারণাস্ত্র হিসেবেই। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের ছোবলে শত শত প্রাণনাশ করা সম্ভব। উহান ইন্সটিটিউট অব ভাইরোলজির বিএসএল-৪ ল্যাবরেটরিতে অতি গোপনে এই জৈব রাসায়নিক মারণাস্ত্র তৈরির কাজ চলছিল দীর্ঘ সময় ধরেই। হয় সেখান থেকেই ভাইরাস কোনোও ভাবে বাইরে চলে গেছে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবেই সংক্রমণ ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) নানাবিধ অপকর্ম বিষয়ক গবেষক মাইলস গুয়ো ভারতীয় দৈনিক জিনিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ভাইরাস যে দুর্ঘটনাক্রমে কারখানা থেকেই ছড়িয়েছে পরিস্থিতি শান্ত হলেই তা স্বীকার করবে সিসিপি। সরকারের সবুজসংকেত পেলেই এ ঘোষণা দেবে দল। দুর্ঘটনার পরপরই গোপনে কারখানা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং কিশান।
২৫ জানুয়ারির ওই সাক্ষাৎকারে গুয়ো আরও বলেন, ‘সংক্রমণ ফেব্রুয়ারিতে চূড়ান্ত আকার ধারণ করবে এবং ফেব্রুয়ারিতেই শেষ হবে- কারখানা ঘুরে এসে নিজের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে সে কথাই বলেছিলেন কিশান।’
জানা গেছে, ইন্সটিটিউট অব ভাইরোলজিতে এই ল্যাবরেটরির জন্যই রয়েছে আলাদা উইং, যার বাইরের পরিবেশের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। তবে সার্স ও ইবোলা প্রাণঘাতী হয়ে ওঠার পরে অভিযোগের আঙুল ওঠে এই গবেষণাগারের দিকেই। বলা হয়, রোগ প্রতিরোধ নয়, বরং প্রাণঘাতী জৈব অস্ত্র বানাতেই মত্ত গবেষকরা। যারই পরিণতি হাজার হাজার মৃত্যু।

Friday, January 10, 2020

অস্ট্রেলিয়ার বুশফায়ার: শুক্রবার সন্ধ্যায় মেগা জ্বলছে

অস্ট্রেলিয়ার বুশফায়ার: শুক্রবার সন্ধ্যায় মেগা জ্বলছে


সম্পর্কিত বিষয়
  • অস্ট্রেলিয়ায় আগুন লেগেছে
ক্লিফটন ক্রিকের একটি পোড়া বাস busচিত্র কপিরাইটগেট্টি ইমেজ
চিত্রের শিরোনামঅগ্নিকাণ্ডগুলি ইতিমধ্যে ভিক্টোরিয়া এবং এনএসডাব্লু এর কিছু অংশ ধ্বংস করে দিয়েছে
শুক্রবার সন্ধ্যায় অস্ট্রেলিয়ার দুটি গুল্ম দাবানল তথাকথিত "মেগা ব্লেজ" এ মিশে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে।
নিউ সাউথ ওয়েলস এবং ভিক্টোরিয়ার সীমান্তে সংযুক্তিটি প্রত্যাশিত এবং কয়েকদিন ধরেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছিলেন শুক্রবার "পূর্ব রাজ্যগুলিতে একটি কঠিন দিন" হবে তাপ, প্রবল বাতাস এবং শুকনো বজ্রের পূর্বাভাসের মধ্যে।
দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায়, ক্যাঙ্গারু দ্বীপও হঠাৎ হুমকির সম্মুখীন হয়েছিল।
নিউ সাউথ ওয়েলসের (এনএসডাব্লু) পল্লী ফায়ার সার্ভিসের একজন মুখপাত্র বিবিসিকে জানিয়েছেন দু'টি আগুনের সংহতকরণ - উভয়ই নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে - এটি "আসন্ন" ছিল এবং সন্ধ্যা 8 টার দিকে (09:00 GMT) প্রত্যাশিত ছিল।
ডানস রোড এবং ইস্ট ওর্নি ক্রিকের দুটি অগ্নিকান্ডের একটি শক্ত রাতের জন্য দমকলকর্মীরা রয়েছে - এবং বিমান অন্ধকারের পরেও পরিচালনা করতে সক্ষম হবে না।
একাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ এনএসডব্লিউতে 100 টিরও বেশি বুশফায়ার জ্বলছে তবে ভিক্টোরিয়ায় এই বিপদটিও সমান great
একটি রাস্তা পরিষ্কার করে দমকলকর্মীরাচিত্র কপিরাইটটুইটার / ড্যারেনচেস্টার এমপি
চিত্র ক্যাপশন ফায়ার ফাইটার্সভিক্টোরিয়ার একটি রাস্তা পরিষ্কার করছেন
ভিক্টোরিয়ার কান্ট্রি ফায়ার অথোরিটি শুক্রবার বেশ কয়েকটি জরুরি সতর্কতা জারি করেছে, লোকদের এটি খুব বিপজ্জনক হওয়ার আগে সরিয়ে নেওয়ার কথা বলেছে।
ভিক্টোরিয়া এবং এনএসডাব্লু উভয়ের অংশেই, কর্তৃপক্ষ লোকদের "ট্র্যাজডি এড়ানোর জন্য" তাদের বাড়িঘর ছেড়ে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল।
নতুন বছর থেকে এনএসডব্লিউতে আগুন প্রায় 1000 টি বাড়িঘর ধ্বংস করেছে।
মিঃ মরিসন বলেছিলেন, প্রয়োজনে শহরগুলি খালি করতে প্রস্তুত এনএসডব্লিউয়ের উপকূলে দুটি জাহাজই রয়ে গেছে।

কাঙারু দ্বীপে কি হল?

দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার দ্বীপের একটি শহর প্রায় এক সপ্তাহ ধরে আবহাওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হুমকির মুখোমুখি হওয়ায় বুশফায়াররা কাটা রাত কাটিয়েছিল।
বৃহস্পতিবার এরারটিক বাতাসগুলি একটি দাবানলকে প্রশস্ত করেছে যা দ্বীপের বৃহত্তম শহর কিংসকোটকে রাস্তা থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে।
সেপ্টেম্বরের পর থেকে অস্ট্রেলিয়ার বুশফায়ারে কমপক্ষে ২ people জন মারা গেছে, যা জাতীয়ভাবে ১০.৩ মিলিয়ন হেক্টর বেশি ধ্বংস করেছে।
মিঃ মরিসন বলেছেন, "আমরা এই সংকট ও এই বিপর্যয়ের শেষ থেকে অনেক দূরে।"
ইউএস, কানাডা এবং নিউজিল্যান্ডের অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা হ'ল ক্লান্তিকর ক্রুদের সহায়তার জন্য যারা উড়ে এসেছেন among
উপস্থাপিত সাদা স্থান
বৃহস্পতিবার, জলাশয়যুক্ত হেলিকপ্টারটি সেখানে ফেরত দেওয়ার সময় বেগা ভ্যালি শায়ার অঞ্চলের জলাশয়ে বিধ্বস্ত হয়েছিল। পল্লী, পল্লী ফায়ার সার্ভিস দ্বারা চুক্তিবদ্ধ, বেঁচে গিয়েছিল।
এই সংকট বন্যজীবকেও বিস্তৃত করেছে। গত সপ্তাহে কাঙ্গারু দ্বীপে আগুনের শিখায় বিধ্বস্ত হওয়ার সময় আনুমানিক 25,000 কোয়াল মারা গিয়েছিল।
দুটি নির্দিষ্ট আবহাওয়া ঘটনা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অস্ট্রেলিয়া 2019 সালে রেকর্ডে তার সবচেয়ে উষ্ণতম ও শুষ্কতম বছরটি দেখেছিল, বৃহস্পতিবার আবহাওয়া ব্যুরো জানিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে উচ্চ তাপমাত্রা, বাতাস এবং তিন বছরের খরার দ্বারা উত্সাহিত বিশাল অগ্নিকাণ্ড সেখানে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
মিডিয়া ক্যাপশনঅনাথ অস্ট্রেলিয়ান বাচ্চা বাদুড় প্রেমে জড়িয়ে

YQA লোগো
অস্ট্রেলিয়ান অগ্নিকাণ্ড সম্পর্কে আপনার কী প্রশ্ন রয়েছে?
কিছু ক্ষেত্রে আপনার প্রশ্ন প্রকাশিত হবে, আপনার নাম, বয়স এবং অবস্থানটি যেমন আপনি সরবরাহ করেছেন তেমন প্রদর্শিত হবে, যদি আপনি অন্যথায় বর্ণনা না করেন। আপনার পরিচিতির বিবরণ কখনই প্রকাশিত হবে না। আপনি শর্তাদি এবং শর্তাবলী পড়েছেন তা নিশ্চিত করুন।
BBC NEWS